‘এই লাশ এক্ষুনি ফেলে দিতে হবে।”
বলেই মাথায় টুপি দেওয়া তিনজন পুরুষ জানাজার জন্য দাঁড়িয়ে গেল। মিনিট পাঁচেক হলো
মহিলা মারা গেছে। কালো বোরখায় ঢাকা শরীর, পাশ থেকে একজন নেকাব নামিয়ে লাশের মুখটা ঢেকে দিলো।
লাশ সামনে রেখে জানাজার জন্য দাঁড়ানো ভাবলেশহীন তিনজন মানুষ এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নাসিরউদ্দিনের দিকে। নাসিরউদ্দিনের এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না তার মা নেই। তাদের অনেক তাড়া। নাসিরউদ্দিনকে নিজের জায়গাতেই উঠে দাঁড়াতে হবে জানাজার জন্য। মায়ের পাশে বসে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছে নাসিরউদ্দিন। তার মা কি সত্যি মারা গেছে নাকি জ্ঞান হারিয়েছে! মাত্র পাঁচ মিনিট আগেও প্রবলভাবে শ্বাস টানছিল তার মা, দুটো বড় খিঁচুনি তুলে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে বুকের ওঠা-নামা, সেটা দেখেই সঙ্গে সঙ্গে একজন ঘোষণা দিলো-
‘মরি গেছে।’