তারুণ্যের উচ্ছ্বাসই মানবজীবনকে সফলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে প্রেরণাদান করে। যেখানে তারুণ্যের উচ্ছাস তথা মানসিক শক্তি গতিহীন সেখানে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথ বন্ধ। পৃথিবীর চারদিকে আজ তারুণ্যের জয় জয় রব ধ্বনিত হচ্ছে। যারা তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে ভরপুর হতে পারেননি, তারা পদে পদে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
আমাদের ভেতরে আত্মশক্তি ও দৃঢ়তার প্রবাহ সৃষ্টিতে তারুণ্যের ভূমিকা অপরিসীম। এ দুই শক্তির সমন্বিত প্রয়াসের হাত ধরেই সাফল্যের ভিত্তি নির্মিত হয়। আত্মশক্তি আশাবাদের ফল্পধারা তৈরি করে। আশাবাদী মানুষ দশগুণ উৎসাহের সাথে নিজের কাজ করে থাকে। তারা জানে যে তারা অবশ্যই সফল হবে। সময়ের সাথে-সাথে তাদের আশা আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে, ক্রমেই তা অসীম বিশ্বাসের শক্তিতে পরিবর্তিত হয়, ফলে সফলতা নিশ্চিত হয়ে যায়।
আমরা তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের ভেতর দিয়েই নিজেদের প্রকাশ করি। যার মানসিক শক্তি যত সৃষ্টিশীল ব্যক্তি জীবনে তিনি ততটাই সফল হয়ে সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হােন। আমাদের স্বপ্নগুলাে তারুণ্যের হাত ধরে প্রথমে মানসিক চিন্তায় স্থান পায় পরবর্তীতে তা পরিকল্পনায় রূপ নেয় এবং তারপর আমরা তাকে বাস্তবে রূপদান করতে এগিয়ে চলি। এভাবে চিন্তাগুলােই আমাদেরকে আশা ও প্রত্যাশার পদচিহ্ন এঁকে দেয়। যে পথ ধরে আমরা সাফল্যের সুনিশ্চিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি।