banner image
15% ছাড়
img

আর রাহীকুল মাখতূম (হার্ডকভার) hardcover

লেখক: আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.)

৳850.00 ৳ 723.00 ইনস্ট্যান্ট ৳ 127.00 সেভ করুন (15% ছাড়)

In Stock!

 শেয়ার করুন

ক্যাটাগরি: Religious Books

প্রকাশনী: আলেয়া বুক ডিপো

সংস্করণ: 2023

সাব ক্যাটাগরি: Prophet ﷺ in Seerah

পৃষ্ঠা সংখ্যা: 216


সারা দেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৪০ টাকা।
বিডি বুকস এ্যাপ থেকে অর্ডার করলে অতিরিক্ত ৫% ছাড় !
  • সারসংক্ষেপ
  • বিবরণ
  • লেখক
  • রিভিউ
বইয়ের নাম আর রাহীকুল মাখতূম (হার্ডকভার)
ক্যাটাগরি Religious Books
লেখক আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.)
প্রকাশনা আলেয়া বুক ডিপো
পৃষ্ঠা সংখ্যা 216
সংস্করণ 2023
ভাষা Bangla

আরবের ভৌগোলিক অবস্থান এবং বিভিন্ন জাতির পরিচয়

সীরাতে নববী প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর শেষ পয়গম্বরের বাস্তব প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারী রসুলুল্লাহ (স.) সালাতে মানব জাতির সামনে তা উপস্থাপন করেছিলেন। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা মানুষকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোয় এবং সৃষ্টির বন্দেগী থেকে বের করে আল্লাহর বন্দেগীর মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছিলেন। আল্লাহর পয়গাম তথা পয়গামে রব্বানী অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব ও পরবর্তী সময়ের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনা ছাড়া সীরাতুন্নবীর পরিপূর্ণ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। তাই মূল বিষয়ের আলোচনা শুরুর আগে ইসলামপূর্ব আরবের বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং তাদের জীবনযাপনের অবস্থা বর্ণনা করা একান্ত প্রয়োজন। এতে রসুলুল্লাহ (স.) এর আবির্ভাবকালের অবস্থা সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।

‘আরব' শব্দের আভিধানিক অর্থ সাহারা, বিশুষ্ক প্রান্তর বা অনুর্বর যমীন, যাতে কোনো ফসল উৎপাদিত হয় না। তবে প্রাচীনকাল থেকে এ শব্দটি জাযিরাতুল আরব এবং তার অধিবাসীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়ে আসছে।

আরবের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং সায়না উপদ্বীপ, পূর্বদিকে আরব উপসাগর, দক্ষিণে ইরাকের বিরাট অংশ এবং আরো দক্ষিণে আরব সাগর। এটি প্রকৃতপক্ষে ভারত মহাসাগরের বিস্তৃত অংশ। উত্তরে সিরিয়া এবং উত্তর ইরাকের একাংশ। এর মধ্যে কিছু বিতর্কিত সীমানাও রয়েছে। মোট এলাকা দশ থেকে তেরো লাখ বর্গ মাইল।

দ্বীপসদৃশ এই আরব দেশটি প্রাকৃতিক এবং ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ ও বহির্দিক থেকে এটি বহু প্রান্তর এবং মরুভূমিতে ঘেরা। এ কারণেই এ অঞ্চলটি এমন সংরক্ষিত। অন্যরা এ অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব সহজে বিস্তার করতে পারে না। তাই লক্ষ্য করা গেছে যে, জাযিরাতুল আরবের মূল ভূখণ্ডের অধিবাসীরা প্রাচীনকাল থেকেই নিজেদের সকল কাজে সম্পূর্ণ স্বাধীন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অথচ আরবের এসব অধিবাসী ছিল তদানীন্তন বিশ্বের দুটি বৃহৎ শক্তির প্রতিবেশী। এই প্রাকৃতিক বাধা না থাকলে সেই দুটি শক্তির হামলা প্রতিহত করার সাধ্য আরবদের কোনোদিনই হতো না ।

বাইরের দিক থেকে জাযিরাতুল আরব ছিল প্রাচীনকালের সকল মহাদেশের মাঝখানে। স্থলপথ এবং জলপথ উভয় দিক থেকেই বহির্বিশ্বের সাথে আরবের যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল সহজ। জাযিরাতুল আরবের উত্তর পশ্চিম অংশ হচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশের প্রবেশ বা তোরণদ্বার। উত্তর পূর্ব অংশে ইউরোপ জাতি। পূর্বদিকে ইরান, মধ্য এশিয়া এবং দূর প্রাচ্যের প্রবেশ পথ। এ পথে চীন এবং ভারত পর্যন্ত যাওয়া যায়। এমনিভাবে প্রতিটি মহাদেশই আরব দেশের সাথে সম্পৃক্ত। এসকল মহাদেশগামী জাহাজ আরবের বন্দরে সরাসরি নোঙর করতো।

এ ধরনের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জাযিরাতুল আরবের উত্তর ও পশ্চিম অংশ বিভিন্ন জাতির মিলনস্থল এবং ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।...

গ্রাহকের রিভিউ তালিকা

কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি

সম্পর্কিত বই

এই লেখকের অন্যান্য বই

BDBooks অ্যাপে দেখুন?

আপনার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও দ্রুত করতে, এই পণ্যটি BDBooks অ্যাপে খুলে দেখুন।