হে শিক্ষক, আপনার জন্য সুখবর যে, আপনি মানুষকে কল্যাণ শিক্ষা দিচ্ছেন। আপনাদের জন্য হাদিস শরিফে সুখবর বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলা, আসমানবাসী এবং জমিনবাসী, এমনকি গর্তের পিপীলিকা থেকে শুরু করে সমুদ্রের মাছ পর্যন্ত মানুষকে কল্যাণ শিক্ষাদানকারীর জন্য দুআ করে। আর আপনারা জানেন যে, শিক্ষাদান পদ্ধতি অবশ্যই ইসলামি শরিয়াহ থেকে গৃহীত হবে । আর অবশ্যই এই শিক্ষাদানের কিছু মহৎ লক্ষ্য ও টার্গেট রয়েছে । যেসব টার্গেট আল্লাহ তাআলার তাওফিকের পর শুধু এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষকের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন সম্ভব—যিনি গুণ ও বৈশিষ্ট্যে, আশা ও উদ্যমে এবং অনুমান ও পরিমাপে সমান; এবং যার স্বভাব বিকৃত হয়নি এবং চিন্তাধারাও বিচ্যুত হয়নি। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষক শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে খেয়াল করেন যে, শিক্ষা হলো পৌঁছিয়ে দেওয়ার একটি বার্তা; অর্থের বিনিময়ে কোনো পেশা নয়। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন লোক এই বিষয়টি খেয়াল রাখেন যে, এই পেশা হলো নবি- রাসুলদের পেশা। আর এই পেশাধারীরাই নবি-রাসুলদের উত্তরসূরি। তারাই মানুষের অজ্ঞতা দূর করেন। তারা মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে ইলম, ইমান ও জ্ঞানের আলোর দিকে বের করে নিয়ে যান। একজন শিক্ষকের মর্যাদা হিসেবে এতটুকুই যথেষ্ট যে, তিনি আল্লাহর পথে নির্দেশনা প্রদানকারী। তিনি মানুষকে সে পথের নির্দেশনা দেন, যে পথে চলে তারা তাদের স্রষ্টা ও মালিকের কাছে পৌঁছতে পারবে। তিনি মানুষকে মাবুদ ও রবের দিকে এবং যে লক্ষ্যে তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে, সে লক্ষ্যের দিকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এ ছাড়াও তাদেরকে উত্তম চরিত্র ও সেসব পদ্ধতি শিক্ষা দেন, যা তাদেরকে পবিত্র জিন্দেগির গ্যারান্টি দেয়।