বালক
বয়স তখন ছিল কাঁচা— হালকা দেহখানা
ছিল পাখির মতো, শুধু ছিল না তার ডানা ।
উড়ত পাশের ছাদের থেকে পায়রাগুলোর ঝাঁক,
বারান্দাটার রেলিঙ-'পরে ডাকত এসে কাক ।
ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত গলির ও পার থেকে
তপ্সি মাছের ঝুড়িখানা গামছা দিয়ে ঢেকে।
বেহালটা হেলিয়ে কাঁধে ছাদের 'পরে দাদা,
সন্ধ্যাতারার সুরে যেন সুর হ'ত তাঁর সাধা।
জুটেছি বউদিদির কাছে ইংরেজি-পাঠ ছেড়ে,
মুখখানিতে ঘের-দেওয়া তাঁর শাড়িটি লাল-পেড়ে।
চুরি ক'রে চাবির গোছা লুকিয়ে ফুলের টবে
স্নেহের রাগে রাগিয়ে দিতেম নানান উপদ্রবে ।
কিশোরী চাটুজ্জে হঠাৎ জুটত সন্ধ্যা হলে-
বাঁ হাতে তার থেলো হুঁকো, চাদর কাঁধে ঝোলে ৷
...