অফারটি শেষ হবে
| বইয়ের নাম | দ্য ফিউচার অব জিওগ্রাফি (হার্ডকভার) |
|---|---|
| ক্যাটাগরি | Articles & Research |
| লেখক | টিম মার্শাল |
| প্রকাশনা | Puthi |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 272 |
| সংস্করণ | 1st Edition |
| ভাষা | Bangla |
দ্য ফিউচার অব জিওগ্রাফি (হার্ডকভার)
কিউবার আকাশের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে অদ্ভুত এক বিমান। নাম ইউ–২ স্পাই প্লেন, সময়টা ১৯৬২ সাল। নিচের দিকে তাকালে চোখে পড়ার মতো তেমন কিছুই খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু সেই বিমানের স্পাই ক্যামেরা সেদিন এমন কিছু একটা দেখেছিল, যা দেখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হোয়াইট হাউসে আতঙ্ক নেমে আসে। কিউবায় বসানো হচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র!
এরপরের ১৩ দিন পুরো পৃথিবীর মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল। মনে হচ্ছিল যেন যেকোনো সময় শুরু হতে পারে পারমাণবিক হামলা। ইতিহাসে এই ঘটনাকে বলা হয় ‘কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট’। অ্যামেরিকার ঘরের পেছনে কিউবাতেই রয়েছে রুশদের পারমাণবিক অস্ত্র। বোতাম টিপলেই সব শেষ।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে মহাকাশ হয়ে ওঠে গুপ্তচরবৃত্তির সবচেয়ে বড় জায়গা। এরপর শুরু হয় স্যাটেলাইট থেকে নজরদারি। যে দেশ মহাকাশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সেই দেশই সবার আগে শত্রুকে বুঝে ফেলে। আজ আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করছি, যেখানে কেবল সৈন্য নয়, বরং ডাটা, সিগন্যাল আর অ্যালগরিদমও যুদ্ধ করে। স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দিয়ে সীমান্ত মাপা হয়, ড্রোন দিয়ে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আর মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটই ঠিক করে দেয়—কে সবার আগে সব খবর পাবে।
স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়েছে বহু আগে। কিন্তু মহাকাশনির্ভর ভূরাজনীতি এখন আবার নতুন রূপে ফিরে এসেছে। চাঁদ, পৃথিবীর কক্ষপথ, সাইবার স্পেস—এই সবকিছুই এখন ক্ষমতার নতুন ময়দান। তাহলে ভবিষ্যতের মানচিত্র কেমন হবে? পরাশক্তিগুলো আসলে কী পরিকল্পনা করছে?
এই প্রশ্নগুলোর গভীরে যেতে হলে জানতে হবে বিস্তারিত। আর সেই কাজটি সহজ করে দিয়েছেন টিম মার্শাল তার দ্য ফিউচার অব জিওগ্রাফি বইতে। এমনকি মহাকাশের রাজনীতি বোঝার জন্য প্রয়োজনীয় জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞ্যানও তিনি বিশ্লেষণ করেছেন অসাধারণ দক্ষতার সাথে।
কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি
আপনার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও দ্রুত করতে, এই পণ্যটি BDBooks অ্যাপে খুলে দেখুন।