সহজে ইবারত শিখি
ইজাফাত ও সিফাত
দুটি উদাহরণ দিয়ে শুরু করছিঃ
১. বকরের ছেলে – ولدُ بكرٍ
২. বকরের ছেলের মাদ্রাসা - مدرسةُ ولدِ بكرٍ
বাংলায় ইজাফাতের আলামত হলো 'র'
বাংলায় ইজাফাত যেখানে শেষ হবে, আরবিতে সেখান থেকে শুরু হবে।
যেমন, ১. বকরের ছেলে। আরবিতে প্রথমে ছেলে আসবে, পরে বকর আসবে।
২. বকরের ছেলের মাদ্রাসা। আরবিতে প্রথমে মাদ্রাসা, পরে ছেলে এবং শেষে বকর আসবে।
ইজাফাত দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ
১. একটি ইসিমের দিকে ইজাফাত হবে।
যেমনঃ বকরের ছেলে – ولدُ بكرٍ
২. একাধিক ইসিমের দিকে ইজাফাত হবে।
যেমনঃ বকরের ছেলের মাদ্রাসা - مدرسةُ ولدِ بكرٍ
ইজাফাতের ক্ষেত্রে আরবিতে প্রথম শব্দকে মুজাফ এবং দ্বিতীয় শব্দকে মুজাফ ইলাইহি বলে।
মুজাফের দুটি বৈশিষ্ট্যঃ
১. আল-মুক্ত হওয়া।
২. তানবীন মুক্ত হওয়া।
মুজাফ ইলাইহির বৈশিষ্ট্যঃ
১. মাজরুর হওয়া।
একাধিক ইসিমের দিকে ইজাফাতের ক্ষেত্রে প্রথম ইসিমের পরবর্তী ইজাফাতকৃত প্রত্যেক ইসিমের দুইটি অবস্থা, তবে, শেষ ইসিম ছাড়া। কারণ, তা শুধু মুজাফ ইলাইহি হবে।
১. মুজাফ হবে।
২. মুজাফ ইলাইহি হবে।
তাই, প্রথম ইসিমের পরবর্তী ইসিমগুলো মুজাফ হিসেবে আল মুক্ত হবে এবং মুফাজ ইলাইহি হিসেবে তাতে যর হবে।
যেমনঃ تلميذ معلمِ المدرسة جيد
ইজাফাতের সাথে সিফাত ব্যবহার
ইজাফাতকৃত ইসিমের সিফাত আসলে তা আল যুক্ত হয়ে ইজাফাতকৃত ইসিমগুলোর পরে আসবে। এবং ইরাবের ক্ষেত্রে সিফাত তার মাওসুফ তথা ইজাফাতকৃত ইসিমের অনুগত থাকবে। তাই, মুজাফের সিফাত হলে র্পূবের আমেল অনুযায়ী ইরাব হবে, মুফাজ ইলাইহির সিফাত হলে যর হবে।
যেমনঃ نصر تلميذُ معلمِ المدرسة الجيدُ معلمَه الماهرَ
যদি সিফাত সরাসরি মাওসুফের গুন বর্ণনা করে, তাহলে সিফাত তার মাওসুফের সাথে দশটি জিনিসের মধ্য থেকে চারটি জিনিসে মিল থাকবে।
১-২. -المعرفةমারেফা ও -النكرةনাকেরা (যে কোন একটি থাকবে)।
৩-৫. -الواحدওয়াহেদ, -التثنيةতাসনিয়া ও -الجمعজমা (যে কোন একটি হবে)।
৬-৭. -المذكرমুযাক্কার ও -المؤنثমুয়ান্নাস (যে কোন একটি থাকবে)।
৮-১০. -الرفعরফা, -النصبনসব ও -الجرজর (যে কোন একটি থাকবে)।
যেমনঃ جاءَ رجلٌ عالمٌ
তবে, যদি মাওসুফের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন জিনিসের গুণ বুঝায়, তাহলে সিফাত তার মাওসুফের সাথে পাচটি জিনিস থেকে দুইটির মাঝে মিল থাকবে।
১-২. -المعرفةমারেফা ও -النكرةনাকেরা (যে কোন একটি থাকবে)।
৩-৫. -الرفعরফা, -النصبনসব ও -الجرযর (যে কোন একটি থাকবে)।
যেমনঃ جاء رجل عالم أبوه